
মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ
স্টাফ রিপোর্টার :-দর্শনা মুক্তি ক্লিনিকে সিজারের জন্য অপরেশন থিয়েটারে নেয়ার পর বিকট শব্দে চিৎকার চেচামেচি। অতপর প্রস্যুতি ববির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। জানাযা শেষে দর্শনা শ্যামপুর গোরস্থানে দাফন সম্পন করা হয়েছে লাশ। উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছে। দর্শনা শ্যামপুর শেষপাড়ার ইয়াসিন আলীর মেয়ে রেহেনা খাতুন ববির বছর চারেক আগে বিয়ে হয় কার্পাসডাঙ্গার আরামডাঙ্গা গ্রামের নাজিম উদ্দিনের সাথে। গতকাল রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে প্রস্যুতি ববি’র সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয় দর্শনা মুক্তি ক্লিনিকে। চিকিৎসকের পরামর্শে সিজারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে মোতাবেক ববিকে নেয়া হয় অপরেশন থিয়েটারে। ববির পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ তড়িঘড়ি করে সিজারের জন্য নেয়া হয় অপরেশন থিয়েটারে। সেখানে সঠিক ভাবে অবশের ইনজেকশন দিতে না পারায় ওটিতেই মারা যায় ববি। মৃত্যু ববিকে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ব্যবস্থায় দ্রুত নেয় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। হাসপাতালে রেখেই ক্লিনিকের প্রতিনিধি এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে দ্রুত সটকে পরে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান ববিকে মৃত্যু অবস্থায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মুক্তি ক্লিনিকের ডাঃ সেলিমা আক্তার সিমু বলেন, ওটি রোগীকে নেয়ার সাথে সাথে সে চিৎকার-চেচামেচি শুরু করে। শুরু হয় ঝাকুনি-কাপুনি। যাকে একলেমশিয়া বলা হয়। ওই অবস্থায় কোনভাবে সিজার করা সম্ভব নয়। ডাঃ মোমিন প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। ডাঃ মোমিনুল ইসলাম মোমিন বলেন, প্রস্যুতি ববিকে কোন প্রকার অবশের ইনজেকশন দেয়া হয়নি। তবে একলেশিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ক্লিনিকের পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, রোগীর একলেমশিয়া দেখা দেয়ার পরও তার বাবা সিজারের জন্য চিকিৎসকদের কাছে অনুরোধ করেছিলেন। সন্ধ্যার দিকে ববির লাশ আনা হয় বাবার বাড়ি শ্যামপুরে। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে বাতাশ। এশা বাদ শোকাবহ পরিবেশে গর্ভের পুত্র সন্তন সহ ববিকে শ্যামপুর গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ বা মামলা কেউ করেনি।।
Reporter Name 

















