
আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
সাতক্ষীরা শহরের ব্লিস হাসপাতাল’ (Bliss Hospital)-এ এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর পুরো হাসপাতালজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, হাসপাতালের গ্রাউন্ড ফ্লোর বা ভূগর্ভস্থ অক্সিজেন লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং তা দ্রুত বহুতল ভবনটির ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
হাসপাতালে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর স্বজনদের দেওয়া তথ্যমতে, দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই নিচতলার অক্সিজেন লাইন/সাপ্লাই এরিয়ার দিক থেকে বিকট শব্দে ধোঁয়া ও আগুন জ্বলতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন ভবনের ভেতরের বিভিন্ন তলায় এবং কাঁচের গ্লাস ভেঙে বাইরের অংশে ছড়িয়ে পড়ে।
ভবনের বাইরে দৃশ্যমান কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী এবং জানালার কাঁচ ভেঙে আসা আগুনের লেলিহান শিখা দেখে পুরো এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে হাসপাতালে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জনের মতো রোগী ভর্তি ছিলেন।
আগুন লাগার পরপরই হাসপাতালের কর্মী, স্থানীয় জনতা ও ফায়ার সার্ভিসের নিরলস চেষ্টায় অধিকাংশ রোগী ও তাদের স্বজনদের নিরাপদে ভবন থেকে বের করে আনা হয়।
সাতক্ষীরা শহরের ব্লিস হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড দুই ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে
আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
সাতক্ষীরা শহরের ব্লিস হাসপাতাল’ (Bliss Hospital)-এ এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর পুরো হাসপাতালজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, হাসপাতালের গ্রাউন্ড ফ্লোর বা ভূগর্ভস্থ অক্সিজেন লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং তা দ্রুত বহুতল ভবনটির ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
হাসপাতালে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর স্বজনদের দেওয়া তথ্যমতে, দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই নিচতলার অক্সিজেন লাইন/সাপ্লাই এরিয়ার দিক থেকে বিকট শব্দে ধোঁয়া ও আগুন জ্বলতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন ভবনের ভেতরের বিভিন্ন তলায় এবং কাঁচের গ্লাস ভেঙে বাইরের অংশে ছড়িয়ে পড়ে।
ভবনের বাইরে দৃশ্যমান কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী এবং জানালার কাঁচ ভেঙে আসা আগুনের লেলিহান শিখা দেখে পুরো এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে হাসপাতালে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জনের মতো রোগী ভর্তি ছিলেন।
আগুন লাগার পরপরই হাসপাতালের কর্মী, স্থানীয় জনতা ও ফায়ার সার্ভিসের নিরলস চেষ্টায় অধিকাংশ রোগী ও তাদের স্বজনদের নিরাপদে ভবন থেকে বের করে আনা হয়।
সাতক্ষীরা শহরের ব্লিস হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড দুই ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে
আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
সাতক্ষীরা শহরের ব্লিস হাসপাতাল’ (Bliss Hospital)-এ এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর পুরো হাসপাতালজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, হাসপাতালের গ্রাউন্ড ফ্লোর বা ভূগর্ভস্থ অক্সিজেন লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং তা দ্রুত বহুতল ভবনটির ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
হাসপাতালে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর স্বজনদের দেওয়া তথ্যমতে, দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই নিচতলার অক্সিজেন লাইন/সাপ্লাই এরিয়ার দিক থেকে বিকট শব্দে ধোঁয়া ও আগুন জ্বলতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন ভবনের ভেতরের বিভিন্ন তলায় এবং কাঁচের গ্লাস ভেঙে বাইরের অংশে ছড়িয়ে পড়ে।
ভবনের বাইরে দৃশ্যমান কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী এবং জানালার কাঁচ ভেঙে আসা আগুনের লেলিহান শিখা দেখে পুরো এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে হাসপাতালে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জনের মতো রোগী ভর্তি ছিলেন।
আগুন লাগার পরপরই হাসপাতালের কর্মী, স্থানীয় জনতা ও ফায়ার সার্ভিসের নিরলস চেষ্টায় অধিকাংশ রোগী ও তাদের স্বজনদের নিরাপদে ভবন থেকে বের করে আনা হয়।
বিশেষ করে যারা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও জরুরি বিভাগে ভর্তি ছিলেন, তাদের জীবন বাঁচানোকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়। দুর্ঘটনাকবলিত রোগীদের তৎক্ষণাৎ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং আশপাশের অন্যান্য বেসরকারি ক্লিনিকে জরুরি ভিত্তিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৪টি ইউনিট দ্রত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করে। আগুন ভবনের উচ্চ তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় এবং পুরো এলাকায় বিষাক্ত ধোঁয়া জমে যাওয়ায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ায় সার্ভিসের কর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, “আমরা প্রথমত আটকে পড়া রোগীদের নিরাপদ উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। একই সাথে আগুন যেন পার্শ্ববর্তী ভবনে ছড়িয়ে পড়তে না পারে এবং দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সে লক্ষ্যে জোরালো চেষ্টা চালানো হয়েছে ।
অগ্নিকাণ্ডে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।
বিশেষ করে যারা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও জরুরি বিভাগে ভর্তি ছিলেন, তাদের জীবন বাঁচানোকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়। দুর্ঘটনাকবলিত রোগীদের তৎক্ষণাৎ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং আশপাশের অন্যান্য বেসরকারি ক্লিনিকে জরুরি ভিত্তিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৪টি ইউনিট দ্রত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করে। আগুন ভবনের উচ্চ তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় এবং পুরো এলাকায় বিষাক্ত ধোঁয়া জমে যাওয়ায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ায় সার্ভিসের কর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, “আমরা প্রথমত আটকে পড়া রোগীদের নিরাপদ উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। একই সাথে আগুন যেন পার্শ্ববর্তী ভবনে ছড়িয়ে পড়তে না পারে এবং দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সে লক্ষ্যে জোরালো চেষ্টা চালানো হয়েছে ।
অগ্নিকাণ্ডে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।
বিশেষ করে যারা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও জরুরি বিভাগে ভর্তি ছিলেন, তাদের জীবন বাঁচানোকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়। দুর্ঘটনাকবলিত রোগীদের তৎক্ষণাৎ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং আশপাশের অন্যান্য বেসরকারি ক্লিনিকে জরুরি ভিত্তিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৪টি ইউনিট দ্রত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করে। আগুন ভবনের উচ্চ তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় এবং পুরো এলাকায় বিষাক্ত ধোঁয়া জমে যাওয়ায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ায় সার্ভিসের কর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, “আমরা প্রথমত আটকে পড়া রোগীদের নিরাপদ উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। একই সাথে আগুন যেন পার্শ্ববর্তী ভবনে ছড়িয়ে পড়তে না পারে এবং দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সে লক্ষ্যে জোরালো চেষ্টা চালানো হয়েছে ।
অগ্নিকাণ্ডে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।
Reporter Name 



















