
কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (সাবেক) বাকী বিল্লাহ কর্তৃক নগদে পুরষ্কার বিতরণ না করে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করেন। যা নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হয়। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের প্রতিযোগিতার সাত মাস পরে গোপনে তড়িঘড়ি করে গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে কোটচাঁদপুর উপজেলা অডিটোরিয়াম থেকে বিজয়ীদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে সাবেক মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওই টাকা তুলে নয় ছয় করার কারনে বিজয়ীদের পুরস্কার পেতে বিলম্ব হওয়ার অভিযোগ উঠলেও তার পক্ষে সাফাই গেয়ে বাজেট পাশ না হওয়ায় পুরস্কার দেয়া সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই শিক্ষা কর্মকর্তা। জানা যায়, প্রতি বছরের মত চলতি বছর জানুয়ারি মাসে কোটচাঁদপুরে পালিত হয় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ। ওই শিক্ষা সপ্তাহে এ বছর ২৫ টি ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন খেলা ধুলা সহ বিভিন্ন ইভেন্টে। তবে জানুয়ারি মাসে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে বিজয়ী হলেও বিজয়ের স্বাদ পেতে তাদের অপেক্ষা করতে হয় সাত মাস। বৃহস্পতিবার সকালে কোটচাঁদপুর অডিটোরিয়ামে বর্তমান মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নেছার উদ্দিন দায়সারা গোছের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় অতিথিবৃন্দ ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের কাউকে দেখা যায়নি অনুষ্ঠানে। শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও বিজয়ী ছাত্র ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। নামমাত্র পুরষ্কারের ক্রেস্ট বিতরণের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজয়ীরা। তারা জানান ওই পুরষ্কারের অর্থ গোপন করতে না পেরে সাত মাস পরে নিন্মমানের ক্রেস্ট দিয়ে আমাদেরকে ছোট করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা। এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন,কয়েক দিন আগে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে বসেছিলাম, ওই সময় মাধ্যমিক কর্মকর্তা অনুষ্ঠানের জন্য মৌখিক ভাবে দাওয়াত করেন। তবে কখন সেই অনুষ্ঠান ছিল সেটা আমাকে আর জানানো হয়নি। গণমাধ্যম কর্মী ও কোটচাঁদপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মঈন উদ্দিন খান বলেন,এই পুরস্কার বিতরণের টাকা সাবেক মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাকী বিল্লাহ আত্মসাৎ করেছিল। আমরা জানতে পেরে বিষয়টি নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বিজয়ীদের এই পুরস্কার দেয়ার ব্যবস্থা করেন বর্তমান মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নেছার উদ্দিন। আর সেখানে আমাদেরকে জানানো হয়নি।
Reporter Name 



















