ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জ বিআরটিএতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ লাইসেন্স, ফিটনেস ও রুট পারমিটে হয়রানির শিকার সেবাগ্রহীতারা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৭ Time View
Print

মোঃ খায়রুল আলম : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) গোপালগঞ্জ সার্কেল কার্যালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান, মোটরযানের ফিটনেস পরীক্ষা এবং রুট পারমিট সংক্রান্ত কার্যক্রমে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও নির্ধারিত সরকারি ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের তীর বিআরটিএ গোপালগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হাবিবুর রহমানের দিকেও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ বিআরটিএ কার্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি দালালচক্রের তৎপরতা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, লাইসেন্স নবায়ন, নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরযানের ফিটনেস এবং রুট পারমিটের জন্য নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধের পরও কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। অতিরিক্ত অর্থ দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করলে ফাইল আটকে রাখা কিংবা বিভিন্ন অজুহাতে সেবা পেতে বিলম্ব করার অভিযোগও রয়েছে। এক ভুক্তভোগী চালক অভিযোগ করে বলেন, “গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষার জন্য বিআরটিএ কার্যালয়ে গেলে বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করা হয়। পরে অতিরিক্ত টাকা দিলে কাজ সহজে হয়ে যায়—এমন অভিযোগ আমরা প্রায়ই শুনতে পাই।” এদিকে, ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। একইভাবে রুট পারমিট সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানির অভিযোগ করেছেন কয়েকজন পরিবহন মালিক। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিআরটিএ কার্যালয়ের সেবাব্যবস্থা স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে নিয়মিত তদারকি এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে দালালচক্রের তৎপরতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা। অভিযোগের বিষয়ে বিআরটিএ গোপালগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে আশাশুনি চ্যাম্পিয়ন

গোপালগঞ্জ বিআরটিএতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ লাইসেন্স, ফিটনেস ও রুট পারমিটে হয়রানির শিকার সেবাগ্রহীতারা

Update Time : ১২:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
Print

মোঃ খায়রুল আলম : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) গোপালগঞ্জ সার্কেল কার্যালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান, মোটরযানের ফিটনেস পরীক্ষা এবং রুট পারমিট সংক্রান্ত কার্যক্রমে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও নির্ধারিত সরকারি ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের তীর বিআরটিএ গোপালগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হাবিবুর রহমানের দিকেও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ বিআরটিএ কার্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি দালালচক্রের তৎপরতা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, লাইসেন্স নবায়ন, নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরযানের ফিটনেস এবং রুট পারমিটের জন্য নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধের পরও কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। অতিরিক্ত অর্থ দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করলে ফাইল আটকে রাখা কিংবা বিভিন্ন অজুহাতে সেবা পেতে বিলম্ব করার অভিযোগও রয়েছে। এক ভুক্তভোগী চালক অভিযোগ করে বলেন, “গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষার জন্য বিআরটিএ কার্যালয়ে গেলে বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করা হয়। পরে অতিরিক্ত টাকা দিলে কাজ সহজে হয়ে যায়—এমন অভিযোগ আমরা প্রায়ই শুনতে পাই।” এদিকে, ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। একইভাবে রুট পারমিট সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানির অভিযোগ করেছেন কয়েকজন পরিবহন মালিক। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিআরটিএ কার্যালয়ের সেবাব্যবস্থা স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে নিয়মিত তদারকি এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে দালালচক্রের তৎপরতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা। অভিযোগের বিষয়ে বিআরটিএ গোপালগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।