ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিরপুর এভিনিউ-৫ এলাকায় সরকারি জায়গায় নির্মিত ভবন উচ্ছেদ বাড়ির মালিকদের দাবি—ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে নির্মাণ করা হয়েছিল ভবন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ Time View
Print

নিজাম উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার রাজধানীর মিরপুর এভিনিউ-৫ এলাকায় সরকারি জায়গায় নির্মিত কয়েকটি ভবন ভেঙে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকারি জায়গায় অনুমোদনহীনভাবে নির্মাণ করা স্থাপনা উচ্ছেদের অংশ হিসেবে এসব ভবন অপসারণ করা হয়েছে। তবে ভবন মালিকদের দাবি, তারা বৈধভাবে সম্পত্তি ক্রয় করে সেখানে ভবন নির্মাণ করেছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মিরপুর এভিনিউ-৫ এলাকার কয়েকটি স্থাপনায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নির্মিত ভবন ও বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়। অভিযানের পর ক্ষতিগ্রস্ত ভবন মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ভবন মালিকদের অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেন এবং ক্রয়সংক্রান্ত কাগজপত্রের ভিত্তিতে সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করেন। তাদের দাবি, জমির মালিকানা ও বৈধতার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই না করে ভবনগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। তারা নিজেদের ক্রয়কৃত সম্পত্তির স্বীকৃতি ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সরকারি জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ হয়ে থাকলে তা আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে ঠিক কোন দপ্তর বা কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন জায়গায় এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল এবং উচ্ছেদের আগে সংশ্লিষ্টদের কী ধরনের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন। এলাকাবাসীর দাবি, জমির মালিকানা, ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত দলিল, খতিয়ান, নামজারি, নকশা এবং সরকারি রেকর্ড যাচাই করে প্রকৃত বিষয়টি নির্ধারণ করা হোক। একই সঙ্গে যারা বৈধ কাগজপত্রের মাধ্যমে সম্পত্তি ক্রয় করেছেন বলে দাবি করছেন, তাদের বক্তব্য ও নথিপত্রও যথাযথভাবে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং জমির রেকর্ডপত্র যাচাই করা গেলে উচ্ছেদের প্রকৃত কারণ ও জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুর এভিনিউ-৫ এলাকায় সরকারি জায়গায় নির্মিত ভবন উচ্ছেদ বাড়ির মালিকদের দাবি—ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে নির্মাণ করা হয়েছিল ভবন

মিরপুর এভিনিউ-৫ এলাকায় সরকারি জায়গায় নির্মিত ভবন উচ্ছেদ বাড়ির মালিকদের দাবি—ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে নির্মাণ করা হয়েছিল ভবন

Update Time : ১১:২৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

নিজাম উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার রাজধানীর মিরপুর এভিনিউ-৫ এলাকায় সরকারি জায়গায় নির্মিত কয়েকটি ভবন ভেঙে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকারি জায়গায় অনুমোদনহীনভাবে নির্মাণ করা স্থাপনা উচ্ছেদের অংশ হিসেবে এসব ভবন অপসারণ করা হয়েছে। তবে ভবন মালিকদের দাবি, তারা বৈধভাবে সম্পত্তি ক্রয় করে সেখানে ভবন নির্মাণ করেছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মিরপুর এভিনিউ-৫ এলাকার কয়েকটি স্থাপনায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নির্মিত ভবন ও বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়। অভিযানের পর ক্ষতিগ্রস্ত ভবন মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ভবন মালিকদের অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেন এবং ক্রয়সংক্রান্ত কাগজপত্রের ভিত্তিতে সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করেন। তাদের দাবি, জমির মালিকানা ও বৈধতার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই না করে ভবনগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। তারা নিজেদের ক্রয়কৃত সম্পত্তির স্বীকৃতি ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সরকারি জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ হয়ে থাকলে তা আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে ঠিক কোন দপ্তর বা কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন জায়গায় এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল এবং উচ্ছেদের আগে সংশ্লিষ্টদের কী ধরনের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন। এলাকাবাসীর দাবি, জমির মালিকানা, ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত দলিল, খতিয়ান, নামজারি, নকশা এবং সরকারি রেকর্ড যাচাই করে প্রকৃত বিষয়টি নির্ধারণ করা হোক। একই সঙ্গে যারা বৈধ কাগজপত্রের মাধ্যমে সম্পত্তি ক্রয় করেছেন বলে দাবি করছেন, তাদের বক্তব্য ও নথিপত্রও যথাযথভাবে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং জমির রেকর্ডপত্র যাচাই করা গেলে উচ্ছেদের প্রকৃত কারণ ও জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।