ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাইক্ষ্যংছড়ি’র ঘুমধুম ইউনিয়নে “ইসলামিক মিশনের” ঝুলছে সাইনবোর্ড, সেবা থেকে বঞ্চিত গরিব-অসহায় মানুষ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৬ Time View
Print

#মিজানুল বশর উপজেলা প্রতিনিধি, নাইক্ষ্যংছড়ি- পার্বত্য বান্দরবান, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের জলপাইতলী এলাকায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘ইসলামিক মিশন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন’-এর সেবা কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সাইনবোর্ড সর্বস্ব এই কেন্দ্রে বিগত প্রায় দুই বছর ধরে কোনপ্রকার সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে না। এতে করে সরকারের স্বাস্থ্য ও মানবসেবামূলক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার সাধারণ ও দরিদ্র জনগণ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রত্যন্ত এই সীমান্ত এলাকায় অসহায়, দরিদ্র ও চিকিৎসা সেবা প্রত্যাশী রোগীদের বিনামূল্যে বা সুলভে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অন্যান্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রটির কোনো কার্যক্রম না থাকায় ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে। সম্প্রতি জসিম উদ্দিন নামের এক স্থানীয় যুবক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, “সাইনবোর্ড আছে কিন্তু সেবা নেই! দায়িত্বশীল কারও মাথাব্যথা নেই!” পাশাপাশি তিনি স্থানীয় #সংবাদকর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের স্বার্থে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান জানান। এই পোস্টটি পরবর্তীতে জহির আহমেদসহ এলাকার অনেক সচেতন নাগরিক শেয়ার করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। এলাকাবাসীর মতে, সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তার জন্য এই ইসলামিক মিশনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারতো। কিন্তু দায়িত্বশীলদের অবহেলা ও তদারকির অভাবে দুই বছর ধরে এই সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত পরিচালনা করে ইসলামিক মিশনের সেবা কার্যক্রম পুনরায় চালু করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বান্দরবান জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় সচেতন মহল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আগে কাজ দেন, তারপর দোকান ভাঙেন

নাইক্ষ্যংছড়ি’র ঘুমধুম ইউনিয়নে “ইসলামিক মিশনের” ঝুলছে সাইনবোর্ড, সেবা থেকে বঞ্চিত গরিব-অসহায় মানুষ

Update Time : ০৬:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
Print

#মিজানুল বশর উপজেলা প্রতিনিধি, নাইক্ষ্যংছড়ি- পার্বত্য বান্দরবান, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের জলপাইতলী এলাকায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘ইসলামিক মিশন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন’-এর সেবা কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সাইনবোর্ড সর্বস্ব এই কেন্দ্রে বিগত প্রায় দুই বছর ধরে কোনপ্রকার সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে না। এতে করে সরকারের স্বাস্থ্য ও মানবসেবামূলক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার সাধারণ ও দরিদ্র জনগণ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রত্যন্ত এই সীমান্ত এলাকায় অসহায়, দরিদ্র ও চিকিৎসা সেবা প্রত্যাশী রোগীদের বিনামূল্যে বা সুলভে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অন্যান্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রটির কোনো কার্যক্রম না থাকায় ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে। সম্প্রতি জসিম উদ্দিন নামের এক স্থানীয় যুবক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, “সাইনবোর্ড আছে কিন্তু সেবা নেই! দায়িত্বশীল কারও মাথাব্যথা নেই!” পাশাপাশি তিনি স্থানীয় #সংবাদকর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের স্বার্থে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান জানান। এই পোস্টটি পরবর্তীতে জহির আহমেদসহ এলাকার অনেক সচেতন নাগরিক শেয়ার করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। এলাকাবাসীর মতে, সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তার জন্য এই ইসলামিক মিশনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারতো। কিন্তু দায়িত্বশীলদের অবহেলা ও তদারকির অভাবে দুই বছর ধরে এই সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত পরিচালনা করে ইসলামিক মিশনের সেবা কার্যক্রম পুনরায় চালু করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বান্দরবান জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় সচেতন মহল।