ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে ৩ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৫:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৩ Time View
Print

ফরহাদ রহমান স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযানে ৩ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৬৪ বিজিবি। এ সময় মাদক বহনের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ও সকালে পালংখালী ও হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়। উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিজিবি জানায়, ভোর আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী পালংখালী পানির পয়েন্টের উত্তর দিকে পোগরবুলখালী হোসেন বলীর ঘেরের দক্ষিণ পাশে অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে লুঙ্গিতে প্যাঁচানো দুটি পোটলা হাতে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে টহল দল তাকে চ্যালেঞ্জ করে। পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। পরে তার বহন করা পোটলা তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ৩১ কার্টনে ৩ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটক যুবকের নাম মো. জোনায়েত (২৬)। তিনি উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-১৬-এর সুবলংকাটা এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে, সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল কেরেঙ্গোঘোনা পোস্ট-১-এর কাছে সোয়েবের মাছের ঘেরসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় জেলের ছদ্মবেশে কারেন্ট জাল হাতে মিয়ানমার দিক থেকে আসা এক যুবককে সন্দেহ হলে তাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। দৌড়ে পালানোর সময় তাকেও আটক করা হয়। আটক যুবকের নাম মো. শফিউল আলম (১৮)। তিনি টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মরিরগুনা ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার হাতে থাকা কারেন্ট জালের ভেতর থেকে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো একটি কার্টনে ১০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি মোবাইল ফোন ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। বিজিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজনই মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করার কথা স্বীকার করেছে। ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়াবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুস সামাদ মাস্টারের ইন্তেকাল

উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে ৩ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২

Update Time : ০৮:২৫:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

ফরহাদ রহমান স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযানে ৩ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৬৪ বিজিবি। এ সময় মাদক বহনের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ও সকালে পালংখালী ও হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়। উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিজিবি জানায়, ভোর আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী পালংখালী পানির পয়েন্টের উত্তর দিকে পোগরবুলখালী হোসেন বলীর ঘেরের দক্ষিণ পাশে অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে লুঙ্গিতে প্যাঁচানো দুটি পোটলা হাতে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে টহল দল তাকে চ্যালেঞ্জ করে। পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। পরে তার বহন করা পোটলা তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ৩১ কার্টনে ৩ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটক যুবকের নাম মো. জোনায়েত (২৬)। তিনি উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-১৬-এর সুবলংকাটা এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে, সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল কেরেঙ্গোঘোনা পোস্ট-১-এর কাছে সোয়েবের মাছের ঘেরসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় জেলের ছদ্মবেশে কারেন্ট জাল হাতে মিয়ানমার দিক থেকে আসা এক যুবককে সন্দেহ হলে তাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। দৌড়ে পালানোর সময় তাকেও আটক করা হয়। আটক যুবকের নাম মো. শফিউল আলম (১৮)। তিনি টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মরিরগুনা ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার হাতে থাকা কারেন্ট জালের ভেতর থেকে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো একটি কার্টনে ১০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি মোবাইল ফোন ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। বিজিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজনই মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করার কথা স্বীকার করেছে। ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।