ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৫ Time View
Print

​খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান (পটুয়াখালী): যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ-উদ্দীপনা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে পটুয়াখালী জেলায় সমাপ্ত হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। ​জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে জেলার কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সব ক’টি মণ্ডপে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভক্তরা পূজা-অর্চনা ও আরাধনায় অংশ নিয়েছেন। ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী সদরসহ বাউফল, গলাচিপা, দশমিনা, কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, দুমকি ও রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন মণ্ডপে পূজা উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পূজার দিনগুলোতে মণ্ডপগুলোতে ছিল ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড়। প্রতিমা দর্শন, আরতি এবং প্রসাদ বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি অন্য ধর্মের মানুষও পূজার আনন্দে অংশ নিয়ে জেলার দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করেছেন। ​পূজা চলাকালীন সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ, র‍্যাব, আনসার সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ও বডি ক্যামেরা ব্যবহারের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ছিল স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী। ​নিরাপত্তা ও সফল আয়োজন নিয়ে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, সকলের সম্মিলিত চেষ্টা এবং সহযোগিতার ফলেই এ বছর পটুয়াখালীতে একটি আনন্দঘন ও নিরাপদ পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। ​অবশেষে চোখের জলে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানিয়ে এবং আগামী বছর মায়ের পুনরায় আগমনীর বার্তা নিয়ে শান্তিজল গ্রহণের মাধ্যমে শেষ হয় এই বছরের শারদীয় উৎসব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পটুয়াখালীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন

পটুয়াখালীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন

Update Time : ১১:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
Print

​খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান (পটুয়াখালী): যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ-উদ্দীপনা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে পটুয়াখালী জেলায় সমাপ্ত হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। ​জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে জেলার কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সব ক’টি মণ্ডপে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভক্তরা পূজা-অর্চনা ও আরাধনায় অংশ নিয়েছেন। ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী সদরসহ বাউফল, গলাচিপা, দশমিনা, কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, দুমকি ও রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন মণ্ডপে পূজা উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পূজার দিনগুলোতে মণ্ডপগুলোতে ছিল ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড়। প্রতিমা দর্শন, আরতি এবং প্রসাদ বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি অন্য ধর্মের মানুষও পূজার আনন্দে অংশ নিয়ে জেলার দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করেছেন। ​পূজা চলাকালীন সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ, র‍্যাব, আনসার সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ও বডি ক্যামেরা ব্যবহারের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ছিল স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী। ​নিরাপত্তা ও সফল আয়োজন নিয়ে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, সকলের সম্মিলিত চেষ্টা এবং সহযোগিতার ফলেই এ বছর পটুয়াখালীতে একটি আনন্দঘন ও নিরাপদ পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। ​অবশেষে চোখের জলে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানিয়ে এবং আগামী বছর মায়ের পুনরায় আগমনীর বার্তা নিয়ে শান্তিজল গ্রহণের মাধ্যমে শেষ হয় এই বছরের শারদীয় উৎসব।