ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১২ নভেম্বর থেকে সাত ধাপে শুরু হচ্ছে আসন্ন ইউপি নির্বাচন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ Time View
Print

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথম ধাপের নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১২ নভেম্বর। এর মধ্য দিয়েই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। নির্বাচন কমিশনার জানান, প্রথম ধাপের নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর -২০২৬, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর-২০২৬, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর-২০২৬, চতুর্থ ধাপ ১৭ জানুয়ারি২০২৭, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি-২০২৭, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল-২০২৭ ও সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে-২০২৭। ভোট গ্রহণে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভোটারদের বিভ্রান্তি এড়াতে এবার উপজেলাভিত্তিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ, একটি উপজেলার আওতাধীন সব ইউনিয়ন পরিষদে একই দিনে একযোগে ভোটগ্রহণ করা হবে। তবে নির্বাচন কতটি ধাপে হবে (সম্ভাব্য ৫ বা ৬ ধাপ), তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াধীন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পোস্টার ও বিনাশী প্রচারসামগ্রী ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং নতুন কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা, বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন। সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে প্রথমধাপে নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে তফসিল দিতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এবিষয়ে ইতিমধ্যে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎ শেষে নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের কাছে সিইসি এ তথ্য তুলে ধরেন। স্থানীয় সরকারে ১৩ সিটি করপোরেশন, ৩৩০ পৌরসভা, ৫০০ উপজেলা ও সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে ক্রমান্বয়ে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দুই মাস সময় রেখে তফসিল ঘোষণা দেওয়ার উদাহরণ টেনে সিইসি বলেন, ‘শিডিউল যদি সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে দিই, ইলেকশনটা আগামী বছরে চলে যাবে। আগামী বছর ইলেকশন করলে আমাকে এ বছর শিডিউল দিতে হবে।…আশা করছি, হয়তো আমরা সেপ্টেম্বরে শিডিউলটা ঘোষণা করতে পারব। তাহলে কিছু বছরের শেষে, কিছু আগামী বছরেও চলে যেতে পারে।’ সিইসি আরো জানান, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসির সাক্ষাতে স্বাধীনভাবে নির্বাচন কমিশনকে কাজ করার বিষয়ে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আইন সংশোধন হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ এবছর শেষ হচ্ছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, এসব নির্বাচন এ বছরের মধ্যে করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এটা নিশ্চিত যে এ বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে হবে। এ বছরের মধ্যে শুরু করতে গেলে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনও ৯০ দিনের মধ্যে করতে হবে। এছাড়া ঠাকুরগাঁওয়েও ইউপি নির্বাচনও আছে। সে ক্ষেত্রে দুটিতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করে এগোতে হচ্ছে। নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণে এমন অনেক বিষয় থাকে, যা ইসির নিয়ন্ত্রণে থাকে না উল্লেখ করে এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, বন্যা, দুর্গাপূজার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যস্ততা এবং আগামী বছর ফেব্রুয়ারির শেষ ভাগ থেকে রমজান শুরু হয়ে ঈদুল আজহা, গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুম চলে আসার কারণে হাতে থাকা উপযোগী সময় খুবই সীমিত। সিইসি আরো বলেন, বর্ষাকাল, ঈদ-পূজা, পরীক্ষা—এসব বিবেচনা না করলে নানা ধরনের সমালোচনার মধ্যে পড়তে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পরীক্ষা দ্রুত শেষ করারও অনুরোধ করবে ইসি। ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের প্রসঙ্গ টেনে সর্বশেষ নির্বাচন সাত ধাপে হয়েছে উল্লেখ করে সিইসি জানান, ২০২১ সালে প্রথম ধাপে ইউপি ভোট হয়েছে জুন মাসে ৩৭১টি; এবারও এটাই ইসির প্রথম টার্গেট থাকবে। তিনি বলেন, ‘প্রথম ধাপে এসব ইউপি বিবেচনায় নিতে হবে। কোনোভাবেই খারাপ মৌসুমে করা যাবে না, শুষ্ক মৌসুমে করার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। পার্বত্য এলাকায় ভোটও শুষ্ক মৌসুমে করার চিন্তা মাথায় রেখে সবকিছু মিলিয়েই করতে হবে। শীতকালে নির্বাচন করার উপযোগী, নির্বাচনের মৌসুম।’ কবে নির্বাচনের তফসিল দেবেন, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি তফসিল ও ভোট নভেম্বরে শুরু হবে কি না—জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘আমরা সেপ্টেম্বরে তফসিল দিতে চাই। কারণ, সেখানে আইনি কিছু বাধ্যবাধতা রয়েছে (মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে)। নভেম্বরে পরীক্ষা শেষ করার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলতে হবে। বছরের শেষে ইলেকশন করতে হলে আমাকে শিডিউলটা দিতে হবে আগামী মাসে। অন এ্যান অ্যাভারেজ মাস দুয়েক সময় রেখে শিডিউল দিতে হয়।’ ভোটের কাজের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা সহজতর করতে নানা পদক্ষেপের কথা জানান সিইসি নাসির উদ্দীন। পাশাপাশি এনআইডি জালিয়াতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কমিশন চেষ্টা করছে, পদক্ষেপও নিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত মামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১

১২ নভেম্বর থেকে সাত ধাপে শুরু হচ্ছে আসন্ন ইউপি নির্বাচন

Update Time : ১১:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথম ধাপের নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১২ নভেম্বর। এর মধ্য দিয়েই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। নির্বাচন কমিশনার জানান, প্রথম ধাপের নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর -২০২৬, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর-২০২৬, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর-২০২৬, চতুর্থ ধাপ ১৭ জানুয়ারি২০২৭, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি-২০২৭, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল-২০২৭ ও সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে-২০২৭। ভোট গ্রহণে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভোটারদের বিভ্রান্তি এড়াতে এবার উপজেলাভিত্তিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ, একটি উপজেলার আওতাধীন সব ইউনিয়ন পরিষদে একই দিনে একযোগে ভোটগ্রহণ করা হবে। তবে নির্বাচন কতটি ধাপে হবে (সম্ভাব্য ৫ বা ৬ ধাপ), তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াধীন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পোস্টার ও বিনাশী প্রচারসামগ্রী ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং নতুন কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা, বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন। সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে প্রথমধাপে নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে তফসিল দিতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এবিষয়ে ইতিমধ্যে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎ শেষে নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের কাছে সিইসি এ তথ্য তুলে ধরেন। স্থানীয় সরকারে ১৩ সিটি করপোরেশন, ৩৩০ পৌরসভা, ৫০০ উপজেলা ও সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে ক্রমান্বয়ে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দুই মাস সময় রেখে তফসিল ঘোষণা দেওয়ার উদাহরণ টেনে সিইসি বলেন, ‘শিডিউল যদি সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে দিই, ইলেকশনটা আগামী বছরে চলে যাবে। আগামী বছর ইলেকশন করলে আমাকে এ বছর শিডিউল দিতে হবে।…আশা করছি, হয়তো আমরা সেপ্টেম্বরে শিডিউলটা ঘোষণা করতে পারব। তাহলে কিছু বছরের শেষে, কিছু আগামী বছরেও চলে যেতে পারে।’ সিইসি আরো জানান, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসির সাক্ষাতে স্বাধীনভাবে নির্বাচন কমিশনকে কাজ করার বিষয়ে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আইন সংশোধন হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ এবছর শেষ হচ্ছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, এসব নির্বাচন এ বছরের মধ্যে করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এটা নিশ্চিত যে এ বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে হবে। এ বছরের মধ্যে শুরু করতে গেলে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনও ৯০ দিনের মধ্যে করতে হবে। এছাড়া ঠাকুরগাঁওয়েও ইউপি নির্বাচনও আছে। সে ক্ষেত্রে দুটিতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করে এগোতে হচ্ছে। নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণে এমন অনেক বিষয় থাকে, যা ইসির নিয়ন্ত্রণে থাকে না উল্লেখ করে এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, বন্যা, দুর্গাপূজার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যস্ততা এবং আগামী বছর ফেব্রুয়ারির শেষ ভাগ থেকে রমজান শুরু হয়ে ঈদুল আজহা, গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুম চলে আসার কারণে হাতে থাকা উপযোগী সময় খুবই সীমিত। সিইসি আরো বলেন, বর্ষাকাল, ঈদ-পূজা, পরীক্ষা—এসব বিবেচনা না করলে নানা ধরনের সমালোচনার মধ্যে পড়তে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পরীক্ষা দ্রুত শেষ করারও অনুরোধ করবে ইসি। ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের প্রসঙ্গ টেনে সর্বশেষ নির্বাচন সাত ধাপে হয়েছে উল্লেখ করে সিইসি জানান, ২০২১ সালে প্রথম ধাপে ইউপি ভোট হয়েছে জুন মাসে ৩৭১টি; এবারও এটাই ইসির প্রথম টার্গেট থাকবে। তিনি বলেন, ‘প্রথম ধাপে এসব ইউপি বিবেচনায় নিতে হবে। কোনোভাবেই খারাপ মৌসুমে করা যাবে না, শুষ্ক মৌসুমে করার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। পার্বত্য এলাকায় ভোটও শুষ্ক মৌসুমে করার চিন্তা মাথায় রেখে সবকিছু মিলিয়েই করতে হবে। শীতকালে নির্বাচন করার উপযোগী, নির্বাচনের মৌসুম।’ কবে নির্বাচনের তফসিল দেবেন, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি তফসিল ও ভোট নভেম্বরে শুরু হবে কি না—জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘আমরা সেপ্টেম্বরে তফসিল দিতে চাই। কারণ, সেখানে আইনি কিছু বাধ্যবাধতা রয়েছে (মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে)। নভেম্বরে পরীক্ষা শেষ করার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলতে হবে। বছরের শেষে ইলেকশন করতে হলে আমাকে শিডিউলটা দিতে হবে আগামী মাসে। অন এ্যান অ্যাভারেজ মাস দুয়েক সময় রেখে শিডিউল দিতে হয়।’ ভোটের কাজের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা সহজতর করতে নানা পদক্ষেপের কথা জানান সিইসি নাসির উদ্দীন। পাশাপাশি এনআইডি জালিয়াতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কমিশন চেষ্টা করছে, পদক্ষেপও নিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।