ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে জননিরাপত্তায় নতুন সেনা ক্যাম্প রঙ্গিখালী-বড় ডেইল এলাকায় প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ Time View
Print

ফরহাদ রহমান স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার ০১৮৮২০৯৬৮০৬ (ছবি আছে) কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী টেকনাফে জননিরাপত্তা জোরদার, পাহাড়কেন্দ্রিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী ও বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইল এলাকায় প্রস্তাবিত সেনা ক্যাম্পের স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে রঙ্গিখালী ও বড় ডেইল এলাকায় প্রস্তাবিত সেনা ক্যাম্পের স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় ক্যাম্প স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান, যোগাযোগব্যবস্থা, ভৌগোলিক অবস্থান ও সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরিদর্শনে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসান সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনসাধারণ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রস্তাবিত সেনা ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টেকনাফের পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাগুলোতে মাদক, মানবপাচার, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের ঝুঁকি রয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বাড়বে। সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা অবকাঠামো শক্তিশালী করা প্রয়োজন। প্রস্তাবিত সেনা ক্যাম্প স্থাপিত হলে এসব এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, রঙ্গিখালী ও বড় ডেইল এলাকায় সেনা ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মাদক, মানবপাচার ও অপহরণসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এটি কার্যকর পদক্ষেপ হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে জননিরাপত্তায় নতুন সেনা ক্যাম্প রঙ্গিখালী-বড় ডেইল এলাকায় প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন

টেকনাফে জননিরাপত্তায় নতুন সেনা ক্যাম্প রঙ্গিখালী-বড় ডেইল এলাকায় প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন

Update Time : ০৪:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
Print

ফরহাদ রহমান স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার ০১৮৮২০৯৬৮০৬ (ছবি আছে) কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী টেকনাফে জননিরাপত্তা জোরদার, পাহাড়কেন্দ্রিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী ও বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইল এলাকায় প্রস্তাবিত সেনা ক্যাম্পের স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে রঙ্গিখালী ও বড় ডেইল এলাকায় প্রস্তাবিত সেনা ক্যাম্পের স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় ক্যাম্প স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান, যোগাযোগব্যবস্থা, ভৌগোলিক অবস্থান ও সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরিদর্শনে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসান সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনসাধারণ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রস্তাবিত সেনা ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টেকনাফের পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাগুলোতে মাদক, মানবপাচার, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের ঝুঁকি রয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বাড়বে। সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা অবকাঠামো শক্তিশালী করা প্রয়োজন। প্রস্তাবিত সেনা ক্যাম্প স্থাপিত হলে এসব এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, রঙ্গিখালী ও বড় ডেইল এলাকায় সেনা ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মাদক, মানবপাচার ও অপহরণসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এটি কার্যকর পদক্ষেপ হবে।