ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৭ Time View
Print

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ লাখ ৬৬ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মদ, ওষুধের সিরাপ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় মাদক চোরাচালানের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) অধীন পদ্মশাখরা, কাকডাঙ্গা ও বৈকারী বিওপির সদস্যরা এসব অভিযান পরিচালনা করেন। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, পদ্মশাখরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্তের মেইন পিলার ১ থেকে প্রায় ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভাঙ্গার মুখ এলাকা থেকে ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মদ ও উইনসেরেক্স সিরাপ জব্দ করে। কাকডাঙ্গা বিওপির সদস্যরা সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এসের ৩ আরবি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ছবেদ মোড় এলাকা থেকে ১৮ লাখ ৩২ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করেন। এ ছাড়া বৈকারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৭/৪৩-এস থেকে প্রায় ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বৈকারী কাপালিপাড়া এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে মো. আসাদুল ইসলাম (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত আমিনুদ্দিন সরদারের ছেলে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও চারটি সিম কার্ড জব্দ করা হয়। সিম কার্ডগুলোর একটি ভারতীয় এবং তিনটি বাংলাদেশি। বিজিবি জানায়, জব্দ করা মালামালের মোট মূল্য ২০ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে এসব পণ্য বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়। চোরাচালান প্রতিরোধ ও দেশের রাজস্ব সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারাও এ ধরনের কার্যক্রম চালু রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমিটির অভিষেক, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সাতক্ষীরায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১

Update Time : ০৫:৩৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Print

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ লাখ ৬৬ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মদ, ওষুধের সিরাপ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় মাদক চোরাচালানের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) অধীন পদ্মশাখরা, কাকডাঙ্গা ও বৈকারী বিওপির সদস্যরা এসব অভিযান পরিচালনা করেন। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, পদ্মশাখরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্তের মেইন পিলার ১ থেকে প্রায় ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভাঙ্গার মুখ এলাকা থেকে ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মদ ও উইনসেরেক্স সিরাপ জব্দ করে। কাকডাঙ্গা বিওপির সদস্যরা সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এসের ৩ আরবি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ছবেদ মোড় এলাকা থেকে ১৮ লাখ ৩২ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করেন। এ ছাড়া বৈকারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৭/৪৩-এস থেকে প্রায় ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বৈকারী কাপালিপাড়া এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে মো. আসাদুল ইসলাম (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত আমিনুদ্দিন সরদারের ছেলে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও চারটি সিম কার্ড জব্দ করা হয়। সিম কার্ডগুলোর একটি ভারতীয় এবং তিনটি বাংলাদেশি। বিজিবি জানায়, জব্দ করা মালামালের মোট মূল্য ২০ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে এসব পণ্য বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়। চোরাচালান প্রতিরোধ ও দেশের রাজস্ব সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারাও এ ধরনের কার্যক্রম চালু রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।