
শহীদুল্লাহ চৌধুরী, পাহাড়তলী (চট্টগ্রাম) চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও নেতৃত্বে নগরজুড়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে। পাহাড়তলীসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকা, ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সমন্বিত ক্রাশ প্রোগ্রাম ও মশক নিধন নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষায় চসিকের স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগ নিয়মিত ওষুধ ছিটানো এবং ড্রেন-নালা পরিষ্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশনায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা টিমের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ টিম মাঠে কাজ করছে। বাসাবাড়ি, নির্মাণাধীন ভবন এবং জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা চিহ্নিত করে প্রজননস্থল ধ্বংস করা হচ্ছে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন মেয়র। বিভিন্ন ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন— “ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাই নাগরিক সচেতনতা। প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর। ‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন’—এই অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিজের ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” তিনি নাগরিকদের দিনের বেলায় সতর্ক থাকার এবং ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহারের অনুরোধ জানান। সঠিক তথ্য প্রচার ও বিভ্রান্তি রোথে তাগিদ নগরবাসীকে আতঙ্কমুক্ত রাখতে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রচারের ওপর জোর দিয়েছেন চসিক মেয়র। তথ্যভিত্তিক প্রচারের মাধ্যমে সঠিক সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি, যাতে নাগরিকরা সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন। স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পাহাড়তলীসহ চট্টগ্রাম নগরীর বাসিন্দারা চসিকের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও নিয়মিত ওষুধ ছিটানোর ফলে মশার প্রকোপ কিছুটা কমে আসছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীকে পুরোপুরি ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে এই বিশেষ অভিযান ও তদারকি কার্যক্রম টানা অব্যাহত থাকবে।
Reporter Name 


















