ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে চাচী খুন, হত্যাকারী গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ Time View
Print

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাদকাসক্ত ছেলের হাত থেকে মাকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হয়েছেন চাচী।  এসময় জখম হয়েছে আরো ২ জন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১০ টার দিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পার বাধঘাটা গ্রামে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। আহতদের শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  ঘাতক রমেশ মন্ডলকে (৩০)জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ  করেছে। গ্রেপ্তারকৃত রমেশ মন্ডল শ্যামনগর উপজেলার পার বাধঘাটা গ্রামের ছিদাম মন্ডলের ছেলে। নিহতের নাম সুধা রানী মন্ডল (৫৫)। তিনি শ্যামনগর উপজেলার পার বাধঘাটা গ্রামের মধুসূদন মন্ডলের স্ত্রী। আহতরা হলেন, নিহতের ছেলে সমীর কুমার মন্ডল ও হত্যাকারীর মা কমলা রানী মন্ডল। শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন কমলা রানী মন্ডল জানান, তাঁর ছেলে রমেশ মন্ডল একজন মাদকাসক্ত। মাদক কেনার জন্য তার কাছে বিভিন্ন সময়ে টাকা চাইতো। বুধবার রাতে রমেশ তার কাছে এক হাজার টাকা চায়। কাছে টাকা না থাকায় দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। একই ভাবে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে রমেশ তার কাছে আবারো টাকা চায়। তিনি দিতে পারবেন না বলায় সে ক্ষুব্ধ হয়। এক পর্যায়ে দা দিয়ে তাকে কোপ মারলে হাতের একটা আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়। তাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে তার দেবর এর স্ত্রী সুধা রানী ও ছেলে সমীর কে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তাদের তিন জনকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুধা রানী মন্ডলকে মৃত বলে ঘোষণা করে। তাকে (কমলা) ও সমীর মন্ডলকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে সমীর মন্ডলের অবস্থার অবনতি হলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ক্ষুদ্র জনতা রমেশকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক রমেশ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত সুধা রানী মন্ডলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইদহে আসক-এর ৩১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন,

সাতক্ষীরায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে চাচী খুন, হত্যাকারী গ্রেপ্তার

Update Time : ০৯:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Print

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাদকাসক্ত ছেলের হাত থেকে মাকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হয়েছেন চাচী।  এসময় জখম হয়েছে আরো ২ জন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১০ টার দিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পার বাধঘাটা গ্রামে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। আহতদের শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  ঘাতক রমেশ মন্ডলকে (৩০)জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ  করেছে। গ্রেপ্তারকৃত রমেশ মন্ডল শ্যামনগর উপজেলার পার বাধঘাটা গ্রামের ছিদাম মন্ডলের ছেলে। নিহতের নাম সুধা রানী মন্ডল (৫৫)। তিনি শ্যামনগর উপজেলার পার বাধঘাটা গ্রামের মধুসূদন মন্ডলের স্ত্রী। আহতরা হলেন, নিহতের ছেলে সমীর কুমার মন্ডল ও হত্যাকারীর মা কমলা রানী মন্ডল। শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন কমলা রানী মন্ডল জানান, তাঁর ছেলে রমেশ মন্ডল একজন মাদকাসক্ত। মাদক কেনার জন্য তার কাছে বিভিন্ন সময়ে টাকা চাইতো। বুধবার রাতে রমেশ তার কাছে এক হাজার টাকা চায়। কাছে টাকা না থাকায় দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। একই ভাবে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে রমেশ তার কাছে আবারো টাকা চায়। তিনি দিতে পারবেন না বলায় সে ক্ষুব্ধ হয়। এক পর্যায়ে দা দিয়ে তাকে কোপ মারলে হাতের একটা আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়। তাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে তার দেবর এর স্ত্রী সুধা রানী ও ছেলে সমীর কে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তাদের তিন জনকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুধা রানী মন্ডলকে মৃত বলে ঘোষণা করে। তাকে (কমলা) ও সমীর মন্ডলকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে সমীর মন্ডলের অবস্থার অবনতি হলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ক্ষুদ্র জনতা রমেশকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক রমেশ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত সুধা রানী মন্ডলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।