ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাকসামে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ Time View
Print

‎ ‎শাকিল খান লাকসাম কুমিল্লা প্রতিনিধি ‎ ‎লাকসাম উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম অবহিতকরণ উপলক্ষে এক প্রেস কনফারেন্স ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাকসাম উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাদল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন মুশু। এ সময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের এই মানবিক কর্মসূচির সফল ও স্বচ্ছ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন বক্তারা। ‎প্রেস কনফারেন্সে জানানো হয়, দেশের প্রান্তিক ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সরকারি সহায়তা নিখুঁতভাবে পৌঁছে দিতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ব্যাপক ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাঠপর্যায় থেকে সংগৃহীত যাবতীয় তথ্য এখন থেকে সরাসরি অনলাইন ডাটাবেজে ইনপুট করা হচ্ছে। কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ টেকসই ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মোবাইল সিম সংগ্রহ ও তা স্থাপনের মতো প্রয়োজনীয় কারিগরি অবকাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। সম্পূর্ণ আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পিএমটি (প্রক্সি মিন্স টেস্ট) পদ্ধতির মাধ্যমে এই ডাটাবেজ হতে স্বয়ংক্রিয় উপায়ে প্রকৃত এবং যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর, ২০২৬ এর মধ্যে দেশব্যাপী আনুমানিক ৪.৪৫ কোটি পরিবারের (প্রতি ৫ জন সদস্য বিশিষ্ট পরিবার ধরে) তথ্য নিখুঁতভাবে সংগ্রহ করে এই কেন্দ্রীয় অনলাইন ডাটাবেজে যুক্ত করা হবে। ‎এই ডিজিটাল রূপান্তরের সবচেয়ে বড় সুফল পেতে যাচ্ছেন দেশের সুবিধাবঞ্চিত নারীরা। চলতি অর্থবছর থেকেই নতুন করে আরও ৪০ লক্ষ নারী পরিবার প্রধানকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ভাতা প্রদানের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত রেখে পর্যায়ক্রমে আগামী ৩ অর্থবছরের মধ্যে দেশের সব যোগ্য নারী পরিবার প্রধানকে শতভাগ ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতার আওতায় নিয়ে আসা হবে। উপকারভোগী নারীদের প্রদান করা এই ফ্যামিলি কার্ডটি কেবল একটি সাধারণ পরিচয়পত্র নয়, এটি হবে বহুমুখী আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একটি বিশেষ স্মার্ট কার্ড, যা সরাসরি সরকারের ডিজিটাল পেমেন্ট স্কিমের সাথে সংযুক্ত থাকবে। এর ফলে উপকারভোগীরা কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর ঝামেলা ছাড়াই ব্যাংকের এটিএম বুথ কিংবা যেকোনো নিবন্ধিত বিপণি বিতান ও পয়েন্ট অব সেলস (POS) থেকে সরাসরি ভাতার টাকা তুলতে এবং কেনাকাটা করতে পারবেন। তথ্যপ্রযুক্তির এই আধুনিক ব্যবহার সামাজিক নিরাপত্তা খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী পরিবার গড়ার প্রতিশ্রুতি পূরণে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে প্রেস কনফারেন্সে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কন্যাশিশুর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান ইউএনও ফয়সাল আহমেদের

লাকসামে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

Update Time : ১১:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Print

‎ ‎শাকিল খান লাকসাম কুমিল্লা প্রতিনিধি ‎ ‎লাকসাম উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম অবহিতকরণ উপলক্ষে এক প্রেস কনফারেন্স ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাকসাম উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাদল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন মুশু। এ সময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের এই মানবিক কর্মসূচির সফল ও স্বচ্ছ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন বক্তারা। ‎প্রেস কনফারেন্সে জানানো হয়, দেশের প্রান্তিক ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সরকারি সহায়তা নিখুঁতভাবে পৌঁছে দিতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ব্যাপক ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাঠপর্যায় থেকে সংগৃহীত যাবতীয় তথ্য এখন থেকে সরাসরি অনলাইন ডাটাবেজে ইনপুট করা হচ্ছে। কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ টেকসই ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মোবাইল সিম সংগ্রহ ও তা স্থাপনের মতো প্রয়োজনীয় কারিগরি অবকাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। সম্পূর্ণ আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পিএমটি (প্রক্সি মিন্স টেস্ট) পদ্ধতির মাধ্যমে এই ডাটাবেজ হতে স্বয়ংক্রিয় উপায়ে প্রকৃত এবং যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর, ২০২৬ এর মধ্যে দেশব্যাপী আনুমানিক ৪.৪৫ কোটি পরিবারের (প্রতি ৫ জন সদস্য বিশিষ্ট পরিবার ধরে) তথ্য নিখুঁতভাবে সংগ্রহ করে এই কেন্দ্রীয় অনলাইন ডাটাবেজে যুক্ত করা হবে। ‎এই ডিজিটাল রূপান্তরের সবচেয়ে বড় সুফল পেতে যাচ্ছেন দেশের সুবিধাবঞ্চিত নারীরা। চলতি অর্থবছর থেকেই নতুন করে আরও ৪০ লক্ষ নারী পরিবার প্রধানকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ভাতা প্রদানের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত রেখে পর্যায়ক্রমে আগামী ৩ অর্থবছরের মধ্যে দেশের সব যোগ্য নারী পরিবার প্রধানকে শতভাগ ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতার আওতায় নিয়ে আসা হবে। উপকারভোগী নারীদের প্রদান করা এই ফ্যামিলি কার্ডটি কেবল একটি সাধারণ পরিচয়পত্র নয়, এটি হবে বহুমুখী আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একটি বিশেষ স্মার্ট কার্ড, যা সরাসরি সরকারের ডিজিটাল পেমেন্ট স্কিমের সাথে সংযুক্ত থাকবে। এর ফলে উপকারভোগীরা কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর ঝামেলা ছাড়াই ব্যাংকের এটিএম বুথ কিংবা যেকোনো নিবন্ধিত বিপণি বিতান ও পয়েন্ট অব সেলস (POS) থেকে সরাসরি ভাতার টাকা তুলতে এবং কেনাকাটা করতে পারবেন। তথ্যপ্রযুক্তির এই আধুনিক ব্যবহার সামাজিক নিরাপত্তা খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী পরিবার গড়ার প্রতিশ্রুতি পূরণে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে প্রেস কনফারেন্সে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়