
সুজন গাজীর নেতৃত্বে ১০–১৫ জনের হামলার অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস পুলিশের নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার | ১৮ অক্টোবর ২০২৬: ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়ার দরগার পাড় এলাকায় বিশিষ্ট সমাজসেবক দেলোয়ার মীরের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত দেলোয়ার মীর বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সুজন গাজীর নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল তাঁর ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় সুজন গাজী, শাকিব গাজী, সানি ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। দেলোয়ার মীরের অভিযোগ, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে ডেকে নিয়ে যান। পরে তাঁরা সংঘবদ্ধভাবে তাঁর ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁকে মারধরের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানা গেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দেলোয়ার মীরের চিৎকার শুনে তাঁরা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন তাঁরা। এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, দেলোয়ার মীরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। হামলার অভিযোগ সম্পর্কে দেলোয়ার মীর বলেন, “সুজনের নেতৃত্বে একদল লোক আমাকে ডেকে নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা আমাকে মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।” এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন এবং পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি।
Reporter Name 


















